ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে রাজধানী নয়াদিল্লিতে আয়োজিত বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে আটক দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। শনিবার (১০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় পুলিশি হেফাজত থেকে তাদের মুক্ত করা হয়। সেই সঙ্গে একই অভিযোগে আটক হওয়া তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যান্য নেতাদেরও মুক্তি দেওয়া হয়েছে। অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে জাফরপুর কালান পুলিশ স্টেশন থেকে মুক্ত করা হয়। এ ছাড়া পুলিশি হেফাজতে থাকা অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএসএ) সভাপতি নেহা বোরাকেও একই সময় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয় বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে। আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়, শনিবার সন্ধ্যা সোয়া ছয়টার দিকে মমতাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। শনিবার সন্ধ্যায় তিনি নিজের এক্স-এ পোস্ট দিয়ে এ কথা জানিয়েছেন। দেশটির বিভিন্ন গণমাধ্যম থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। তারা দিল্লিগামী ট্রেন, দিল্লির মেট্রো এবং বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়।
এর আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিকে কেন্দ্র করে পুরো নয়াদিল্লি এলাকা অবরুদ্ধ করে ফেলে বিক্ষোভকারীরা। এই আন্দোলন সামাল দিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার অত্যন্ত কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে। বিশেষ করে যন্তর মন্তর এলাকায় যেন কোনোভাবেই আন্দোলনকারীরা অবস্থান নিতে না পারে, সেই লক্ষ্যে দিল্লি পুলিশ ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছিল। বিবিসি সূত্রে জানা গেছে, যন্তর মন্তর এলাকায় পুলিশ সদস্যরা সারিবদ্ধভাবে অবস্থান নিয়েছিলেন এবং আকাশপথে ড্রোন দিয়ে নজরদারি চালানো হচ্ছিল। পাশাপাশি পুরো এলাকায় ভারী লোহার ব্যারিকেড বসিয়ে যাতায়াত ও সমাবেশ সীমিত করে দেওয়া হয়েছিল।
মূলত ককরোচ জনতা পার্টির ডাকা এই আন্দোলন ঘিরে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। আন্দোলন ঠেকাতে গিয়েই পশ্চিমবঙ্গ ও দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রীদের পাশাপাশি কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ন, ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার এবং ককরোচ পার্টির আহ্বায়ক অভিজিৎ দীপ ও সৌরভের মতো গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের আটক করা হয়েছিল। দীর্ঘ সময়ের নাটকীয়তা শেষে শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তাদের মুক্তি প্রদানের মধ্য দিয়ে পরিস্থিতির সাময়িক অবসান ঘটে। তবে নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে সৃষ্ট এই রাজনৈতিক উত্তাপ ভারতীয় রাজনীতিতে বড় ধরনের আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সরকারি বাহিনীর কঠোর নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা বিভিন্ন সময়ে তাদের অবস্থানের পক্ষে শক্ত বার্তা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন ঠেকাতে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, দিল্লিতে কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ন, ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার এবং ককরোচ পার্টির আহ্বায়ক অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ। 5.
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আশরাফুল জাহান শাওলিন। যোগাযোগঃ হোল্ডিং নং- ০১, ( আব্দুর রব মঞ্জিল), ঘোষপাড়া, মতলব দক্ষিণ, চাঁদপুর- ৩৬৪০। ই-মেইলঃ ajshawlin2007@gmail.com, মোবাইলঃ 01920565995
Design & Developed by Soft-Mack IT