মোঃ হোসেন গাজীঃ হাইমচর উপজেলার বেড়িবাঁধের বাহিরে নিম্নাঞ্চল এলাকায় মেঘনা নদীর জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চাইতে বৃদ্ধি পাওয়ায় প্লাবিত হয়েছে। এতে পানের বোরজ, মৎস্য খামার ও রোপা আমন ধান রাস্তা গাট মসজিদ মাদ্রাসা ঘর বাড়ি তলিয়েগেছে। উত্তরাঞ্চল থেকে বন্যার পানি প্রতিবছর বাটিতে চাপ দিলে এমন পরিস্থিতি হয় বলে জানায়িছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, এখন মনি আমবস্যা চলছে। যার কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
উপজেলার ২ নং উত্তর আলগী ইউনিয়নের কয়েকজন বাসিন্দা জানান, তাদের এলাকায় বেড়ি বাধের বাহিরে
৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পানি বৃদ্ধি পেয়েছি। ৩ টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত পানি বেশী ছিলো। এরপর আবার কমতে শুরু করেছে। এ সময় পানের বোরজ, রোপা আমন, বসত বাড়ী ও মৎস্য খামার রাস্তা ঘাঠ তলিয়ে যায়। অনেকে মাছের খামারের মাছ চলেগেছে।
খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, উপজেলার ২নং উত্তর আলগী, ৩নং দক্ষিন আলীগ ও চরভৈরবী ইউনিয়নের একটি অংশ বেড়ি বাঁধের বাহিরে। এই তিন ইউনিয়ন ও নীল কমল ইউনিয়নের মধ্যচর এবং গাজীপুর ইউনিয়নের বাজাপ্তীতে পানি বেড়েছে।
হাইমচর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান বলেন, তার নিজের মৎস্য খামারের মাছগুলোও জোয়ারের পানির সাথে চলেগেছে। তাদের বাড়ীতেও পানি উঠেছে। বেড়ি বাঁধের বাহিরের অংশে প্রতিবছর পানি বাড়লে এমন পরিস্থিতি হয়
হাইমচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) চাই থোয়াইহলা চৌধুরী বলেন, জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়েছে বিষয়টি তিনি জানেন এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্টদের সাথে যোগাযোগ আছে। তবে বেড়িবাঁধের সংরক্ষণ এলাকা তাদের নজরদারিতে রয়েছে। আর বেড়ি বাঁধের বাহিরের অংশের বাসিন্দাদের আগ থেকেই বলা আছে যাতে করে তারা তাদের মৎস্য খামার উঁচু করে সংরক্ষণ করে। কারণ স্থানীয়রা জানেন (আঞ্চলিক ভাষায়) মনি আমবস্যায় পানি বৃদ্ধি পায়। পুরো বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের নজরদারীতে আছে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আশরাফুল জাহান শাওলিন। যোগাযোগঃ হোল্ডিং নং- ০১, ( আব্দুর রব মঞ্জিল), ঘোষপাড়া, মতলব দক্ষিণ, চাঁদপুর- ৩৬৪০। ই-মেইলঃ ajshawlin2007@gmail.com, মোবাইলঃ 01920565995
Design & Developed by Soft-Mack IT