
মোঃ আশরাফুল জাহান শাওলিন, মতলব দক্ষিণ (চাঁদপুর)ঃ আগামী কয়েক মাস পর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। সেই নির্বাচন ঘিরে প্রার্থীরা তাদের কর্মী সমর্থকদের নিয়ে মাঠে নেমেছেন। ভোটারদের মন জয় করার জন্য ব্যক্তি উদ্যোগে রাস্তাঘাট, স্কুল, ক্লাব উন্নয়নসহ বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নে শরিক হচ্ছেন। ইতিমধ্যে চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়নে জনগণের মন জয় করার জন্য মাঠে নেমেছে প্রার্থীরা।
এদের মধ্যে ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী বর্তমান খাদেরগাঁও ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ ইকবাল হোসেন অন্যতম।
তিনি বিগত ১০ বছর ধরে সুনামের সাথে খাদেরগাঁও ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যের দায়ীত্ব পালন করে আসছে বলে এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়। তিনি দায়ীত্বরত অবস্থায় গরীব দুখীদের মাঝে ভিজিডি, ভিজিএফ, মার্তৃত্বকালীন ভাতা, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতাসহ সরকারের সকল ধরনের সাহায্য সহযোগীতা সঠিক ভাবে বন্টন হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। করোনা ও বন্যাকালীন সময়ে গরীব অসহায় মানুষদের মাঝে ব্যক্তিগত উদ্যোগে ত্রাণ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন। এক নামে অসহায়দের বান্দব বলে সুপরিচিত হয়েছেন তিনি। আসন্ন ইউপি নির্বাচনে ইউপি সদস্য থেকে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত করার জন্য ইতিমধ্যে ইউনিয়নে তাকে নিয়ে জল্পনা কল্পনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে যুবকদের চোখের মণি তিনি। উন্নয়নমূলক কাজে ইকবাল যুবকদের সঙ্গে নিয়ে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।
ইউনিয়ন ঘুরে জানা গেছে, তিনি নৌকার মনোনয়নের অন্যতম জোর দাবিদার। এই ইউনিয়নে তার বিকল্প হিসেবে আর কাউকে ভাবছেনা ভোটাররা।
আধুনিক, পরিকল্পিত, নিরক্ষরমুক্ত ও মাদকমুক্ত আধুনিক ইউনিয়ন গড়তে নৌকার মাঝি হতে চান বিশিষ্ট এই যুবলীগ নেতা। বাবা মৃত নাসির উদ্দিন এর স্বপ্নপূরণে ‘দিন বদলের অঙ্গীকার, চেয়ারম্যান হবে জনতার’ স্লোগানে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন এই চেয়ারম্যান প্রার্থী।
ইকবাল তার ওয়ার্ড ছাপিয়ে প্রতিদিন সকাল থেকে রাত অবধি কর্মী সমর্থকদের সাথে নিয়ে ইউনিয়নের প্রতিটি পাড়া মহল্লায় উঠান বৈঠক করে যাচ্ছেন। এরইমধ্যে জনগণের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন তিনি।
গতবারের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও মেম্বার পদে তিনি জনগণের মাঝে সাড়া ফেলেছিলেন।
নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী চেয়ারম্যান প্রার্থী ইকবাল বাংলাদেশের আলোকে বলেন, আমি শৈশব থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। জাতীয় শোক দিবস, বিজয় দিবস ও স্বাধীনতা দিবসে আমার ব্যক্তিগত উদ্যোগে অনুষ্ঠান পালন করে থাকি। এছাড়াও দলের যেকোন মিটিং মিছিলে আমি কর্মী সমর্থক নিয়ে সবসময় উপস্থিত থাকি। নৌকার মনোনয়ন আমাকে দিলে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে আমি বিপুল ভোটে বিজয়ী হবো। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর খাদেরগাঁও ইউনিয়নকে একটি ডিজিটাল ইউনিয়ন করতে চাই। জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন ‘গ্রাম হবে শহর’ তা বাস্তবায়নে শরীক হতে চাই।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, সমাজ সেবামূলক বেশকিছু প্রতিষ্ঠানে সম্পৃক্ত থাকার কারণে এলাকার গণমানুষের কাছে ইকবাল সর্বাধিক পরিচিত। এছাড়াও আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়ভাবে জড়িত রয়েছেন। করোনা মহামারিতে সাধ্যমতো সাহায্য সহযোগীতা করেছেন। বন্যায় পানিবন্দি মানুষসহ অসহায় গরীব মানুষের পাশে থেকে শত শত লোকের মাঝে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। তিনি প্রতিটি ঈদে হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী নিজে গিয়ে পৌঁছে দেন। এছাড়াও শীতের মধ্যে শত শত গরীব অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছেন বলে জানা যায়।
একই ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সুরুজ জামান সহ কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি বলেন, ইকবাল খুব ভালো মনের মানুষ। রাস্তায় দেখা হলে সকলের সাথে সুন্দর ভাবে কথা বলেন। তিনি শিক্ষিত ও মার্জিত, সৎ এবং সাহসী মানুষ। মানুষের বিপদে ইকবাল পাশে দাঁড়ান। তাইতো খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বাসির জন্য ইকবালের কোন বিকল্প নেই। তিনি চেয়ারম্যান হলে এলাকার উন্নয়ন হবে।
