
মোঃ নাজমুল হক, মতলব (চাঁদপুর) প্রতিনিধিঃ
মতলব উত্তর উপজেলায় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ধানের শীষের প্রার্থীর বিশাল সমাবেশ
অনুষ্টিত হয়েছে। ধানের শীষের প্রার্থীর সমবেশে সম্ভাব্য ৪ প্রার্থী একই মঞ্চে উপস্থিত হয়ে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চেয়েছেন।
শনিবার (৮ নভেম্বর) বিকেলে ছেংগারচর পৌরসভার সরকারী মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও চাঁদপুর-২ নির্বাচনী আসনের ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব ড. মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন ।
এসময় ড. জালাল উদ্দিন তাঁর বক্তব্যে বলেন, আমি আপনাদের সন্তান। দলের ভেতরে প্রতিযোগিতা থাকবেই কিন্তু আমরা সবাই দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশনা মেনে একসঙ্গে ধানের শীষের জন্য কাজ করবো। আমার ওপর রাগ থাকতে পারে যা খুবই স্বাভাবিক। কেননা, আমি মানুষ মানুষ হিসেবে আমার ভুল নিশ্চয়ই আছে । কিন্তু সকলের কাছে আমি হাতজোড় করে বলি দল বা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতীকের ওপর আমরা নিশ্চয়ই কেউ রাগ দেখাবো না। আপনারা দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে নিপীড়ন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। দেশনায়ক তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে এবং দেশবিরোধী সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিতে সকলে ধানের শীষে ভোট দিন।
তিনি আরো বলেন, দলের শৃঙ্খলা কাকে বলে ছেঙ্গারচরের এই বিশাল সমাবেশে এসে দেখে যান। এখানে অধ্যাপক ডা. শামীম আহমেদ, ব্যারিস্টার ওবায়েদুর রহমান টিপু, আজহারুল হক মুকুল তারও কিন্তু দলের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীক চেয়েছিলেন। তারা প্রতীক পাননি ঠিকই কিন্তু তারা ধানের শীষের প্রচারণায় ঠিকই ছুটে এসেছেন। ছেংগারচরের এই বিশাল সমাবেশে তাঁরা ধানের শীষের পক্ষে এসে ঠিকই ভোট চেয়েছেন।
ছেংগারচর পৌর বিএনপি’র সভাপতি নান্নু মিয়া প্রধানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান ও উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানের প্রধান সমন্বয়ক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ ফিরোজ আহমেদ।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সহ সভাপতি অধ্যাপক ডা. শামীম আহমেদ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখছেন কেন্দ্রীয় কৃষক দলের যুগ্ম সম্পাদক ব্যারিস্টার ওবায়দুর রহমান টিপু, স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি আজহারুল হক মুকুল,
উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর আলম।
এ সময় প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে আরো বলেন, ৭ই নভেম্বরের জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সকল জাতীয়তাবাদী শক্তি ঐক্যবদ্ধ থেকে শক্তিশালী গণতন্ত্রের জন্য কাজ করতে হবে। বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা পায়।
