
মতলব প্রতিনিধি: মতলব দক্ষিণ উপজেলার বহরী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হতে চান ওই বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী বৃষ্টি আক্তারের আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলার প্রধান আসামীর পিতা খোরশেদ আলম খান। এই নিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, বহরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি খোরশেদ আলম খানের ছেলে আকাশ খান বহরী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী থাকাকালীন সময়ে তার বিরুদ্ধে আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা হয়, যা আজও চলমান রয়েছে। এদিকে উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটিতে সভাপতি হওয়ার জন্য দৌড়ঝাঁপ করে বেড়াচ্ছেন খোরশেদ আলম খান। বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি পদে খোরশেদ আলম খানের বিষয়ে জোর তদবির এর অভিযোগ রয়েছে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রহমান খানের। কারণ প্রধান শিক্ষকের আপন চাচা হন তিনি।
স্থানীয়রা জানান, যিনি সভাপতি হতে চাচ্ছেন তার ছেলে আকাশ খান বহরি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী বৃষ্টি আক্তারকে বিদ্যালয় আসা-যাওয়ার পথে উত্ত্যক্ত করতো।বৃষ্টি আক্তার ছেলের বাবা ও অভিভাবক এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিকট অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার না পেয়ে গত ২০১৯ সালের ২৫ সেপ্টম্বর সআত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়। আর এই ঘটনায় বৃষ্টির মা রোকেয়া আক্তার বাদী হয়ে আকাশ খানকে প্রধান আসামি করে মতলব দক্ষিণ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় মতলব দক্ষিণ থানা পুলিশ আকাশ খানকে গ্রেপ্তার করে চাঁদপুর আদালতে প্রেরণ করা হয়। কয়েক মাস জেলে থাকার পর জামিনে বেরিয়ে বৃষ্টি আক্তার এর পরিবারকে নানা ধরনের হুমকি ধমকি দিচ্ছে।
বহরী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী অভিভাবক ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, এ ধরনের দুষ্কৃতকারী ব্যক্তির পিতা যেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসতে না পারে সেদিকে চাঁদপুর -২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এডভোকেট নুরুল আমিন রুহুল এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেছেন।
