
ঢাকা-১৭ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. খালিদুজ্জামানের রাজনৈতিক অতীত এবং ভূমিকা নিয়ে সরব হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। গত ১৬ অক্টোবর শুক্রবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি জামায়াতের এই প্রার্থীর কড়া সমালোচনা করেন। তিনি আরও লেখেন, এই পরিচয়হীন নির্লজ্জ নব্য রাজাকার, কাপুরুষ, গুপ্ত। এদেরকে দেশ থেকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করা উচিত।
রাশেদ খাঁন তার পোস্টে উল্লেখ করেন যে, ফ্যাসিবাদের দীর্ঘ ১৬ বছর সময়ে ডা. খালিদুজ্জামান কোনোদিন রাজপথে প্রতিবাদ করতে দেখা যায়নি। এমনকি তিনি তার ফেসবুক পেজটি খুলেছেন মাত্র ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট। রাশেদ খাঁন তাকে ‘সুযোগ সন্ধানী’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, এরা সবসময় সুবিধাজনক পরিস্থিতির অপেক্ষায় থাকে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, গত ১৬ বছর ধরে এরা শেখ হাসিনার অনুসারী পরিচয়ে নিজেরা নিরাপদ থেকেছে। বিগত ১৬ বছরে শেখ হাসিনার সন্তান হিসেবে এরা লীগ হয়ে বেঁচে ছিল। এমনকি শেখ হাসিনার বিপক্ষে ফেসবুকেও কখনও কোনো পোস্ট দেননি। কিন্তু এই ভণ্ড ডাক্তার প্রায়ই দেখি নেতিবাচকভাবে আমাদের লড়াই- সংগ্রাম প্রশ্নবিদ্ধ করে পোস্ট করে। এই খালিদুজ্জামান টোটালি একজন বিকৃতমস্তিষ্কের মানুষ। একজন প্রকৃত ডাক্তারের ভাষা ও আচরণ ভণ্ড খালিদুজ্জামানের মতো হতে পারে না।
নিজের পোস্টে রাশেদ খাঁন আরও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, শেখ হাসিনা পুনরায় ফিরে এলে এসব ব্যক্তিরা নিজেদের আগের পরিচয় বদলে গোঁফদাড়ি ছেঁটে ফেলে নতুনের বেশে আত্মপ্রকাশ করবে। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তাদের অবস্থানকে তিনি ‘দুর্গন্ধযুক্ত আবর্জনা’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এরা দেশের রাজনীতিকে কলুষিত করে তুলছে। যার মানুষের কাছে পরিচয় দিতে হয় জনাব তারেক রহমানের আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে, সে আবার অন্যদের ত্যাগকে ছোট করে কোন লজ্জায়। অর্থাৎ শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরে এসব ভণ্ড খালিদুজ্জামানরা নব্য বিপ্লবী হয়েছে। আবার কখনও শেখ হাসিনা ফিরলে এরা গোঁফদাড়ি ছেঁটে ফেলে হয়তো নতুন রূপে আবির্ভূত হবে অথবা পাকিস্তানে পালাবে। এখন এরা জামায়াত-শিবির রূপে ফিরে এসেছে।
