
ফরিদপুরের সালথা উপজেলার নকুলহাটি গ্রামে চীনা এক তরুণের সঙ্গে স্থানীয় কলেজছাত্রীর বিয়ের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ওই তরুণকে দেখার জন্য উৎসুক জনতা তার শ্বশুরবাড়িতে ভিড় জমাচ্ছেন। চীনা যুবকের নাম ওয়াং চাও (২৫), যিনি চীনের উত্তর প্রদেশের বাসিন্দা। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে তিনি নিজের নাম পরিবর্তন করে রেখেছেন আরিফ ইসলাম। অন্যদিকে, কনের নাম তাহমিনা আক্তার (২০)। তিনি ফরিদপুর শহরের সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে চীনা নাগরিককে দেখার জন্য স্থানীয়রা ভিড় করেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওয়াং চাওয়ের সঙ্গে তাহমিনার পরিচয় হয়। শুরুতে তাদের সম্পর্কের বিষয়টি পরিবার মেনে নিতে না চাইলেও তাহমিনার জেদের কারণে শেষ পর্যন্ত রাজি হতে বাধ্য হয় তার স্বজনরা। এরপর গত ১৯ অক্টোবর ঢাকার একটি স্থানে তাহমিনার পরিবারের উপস্থিতিতে তাদের বিবাহ সম্পন্ন হয়। বিয়ের আগে কোর্ট এফিডেভিটের মাধ্যমে ওই চীনা তরুণ ইসলাম গ্রহণ করেন এবং নাম পরিবর্তন করেন।
গত সোমবার রাতে তাহমিনার গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে আসলে বিষয়টি জানাজানি হয়।
এরপর থেকে তাকে দেখার জন্য স্থানীয়দের কৌতুহল তুঙ্গে ওঠে। চাপের মুখে শুক্রবার বিকেলে তারা অগোচরে এলাকা ত্যাগ করেন। তাহমিনার পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওই চীনা যুবকের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তাদের কাছে নেই। বর্তমানে তাহমিনার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গোছানোর কাজ চলছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে তারা দ্রুত চীনে পাড়ি জমাবেন। বিষয়টি নিয়ে আটঘর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ফারুক হোসেন বলেন, লোকমুখে বিষয়টি তিনি আজ জানতে পেরেছেন।
