
কেন্দ্রীয় সম্মেলনের আগেই আওয়ামী লীগের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সম্মেলন ও কমিটি গঠন শেষ পর্যায়ে৷ তবে নতুন কমিটি নিয়ে আছে ক্ষোভ৷ সম্মেলনের সময় সংঘর্ষও হয়েছে বেশ কিছু এলাকায়৷
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলন ২১ ও ২২ ডিসেম্বর৷ সর্বশেষ সম্মেলন হয়েছে ২০১৬ সালে৷
আওয়ামী লীগকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করতে ইতিমধ্যেই জেলা-উপজেলাসহ সকল স্তরকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। উপজেলা পর্যায়েও কমিটি গঠন প্রায় শেষ পর্যায়ে৷ তবে যেখানে কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ সেখানেই নতুন কমিটি হচ্ছে৷
এরই ধারাবাহিকতায় মতলব দক্ষিণ উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইতিমধ্যেই মতলব দক্ষিণ উপজেলার কমিটির একটি তালিকা ভাইরাল হয়েছে। যা নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে নানারকম বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া কমিটির প্রেক্ষিতে পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির খান তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন- উক্ত কমিটিতে মতলব দক্ষিন উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্যাগি, বঙ্গবন্ধু ও দেশরত্ন শেখ হাসিনার প্রকৃত কর্মি তাদের বাদ দিয়ে, যাদের গায়ে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মিদের গায়ের রক্ত লেগে আছে, এবং যারা অন্য দল (তাদের পরিবারের সবাই বি এন পি, জামায়াতে ইসলামী নেতা) থেকে এসে আওয়ামী লীগের নাম বিক্রি করে কোটি কোটি টাকার মালিক হইছে ও এমন কোন আকাম নাই যা তারা করে নাই, ঐ সমস্ত কিছু লোকদের অন্তর্ভুক্ত করা হইয়াছে,এদের অন্তর্ভুক্ত করার কারনে মতলব দক্ষিন উপজেলায় আওয়ামী লীগের নেতা কর্মিদের ক্ষোভ বিরাজ করছে, সবারই একটা দাবী খালেদা- নিজামীর কর্মিদের বাদ দিয়ে , জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও দেশরত্ন শেখ হাসিনার কর্মিদের অন্তর্ভুক্ত করা হউক।”
তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউ কেউ এই ভাইরাল হওয়া কমিটিকে গুজব বলে আখ্যায়িত করছেন।
ইতিমধ্যেই কমিটি গঠন নিয়ে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রায় প্রতিদিনই উত্তেজনা ও সংঘাত-সংঘর্ষের খবর পাওয়া যাচ্ছে। গত কয়েকদিনে চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, কুষ্টিয়া, রংপুর ও মানিকগঞ্জে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে৷ কমিটিতে বিতর্কিত নেতাদের অন্তর্ভুক্ত করারও অভিযোগ উঠেছে৷
