শিরোনাম
সৌদিতে চার দফা হামলার দাবি হুতিদের চলে গেলেন বাংলা ও উর্দু চলচ্চিত্রের সোনালী যুগের অভিনেত্রী শিল্পখাতের চাহিদা অনুযায়ী প্রকৌশল শিক্ষায় গুণগত পরিবর্তনের তাগিদ বিমানবন্দরে সোনা পাচার: আদালতে স্বীকারোক্তি দিলেন দুই কর্মী লড়াই চলবে, মোদি সরকারের পতন শিগগিরই: সিজেপি চট্টগ্রামে ওমরাহযাত্রীদের প্রশিক্ষণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন লক্ষ্মীপুরে সাত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা রিয়াদের বিমানবন্দরে হুতিদের হামলায় নিহত ১২, বিশ্বজুড়ে নিন্দা নিরাপত্তা সংকটে রিয়াদ রুটের ফ্লাইট স্থগিত করল কুয়েত এয়ারওয়েজ
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • শিল্পখাতের চাহিদা অনুযায়ী প্রকৌশল শিক্ষায় গুণগত পরিবর্তনের তাগিদ
  • শিল্পখাতের চাহিদা অনুযায়ী প্রকৌশল শিক্ষায় গুণগত পরিবর্তনের তাগিদ

    আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনের পরবর্তী ধাপে বাংলাদেশের প্রকৌশল শিক্ষার মান সমুন্নত রাখা ও একে আরও উৎকর্ষের পথে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিশেষজ্ঞেরা। তাঁদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমের সঙ্গে শিল্প খাতের বাস্তব চাহিদার ভারসাম্য বজায় রাখা এখন জরুরি। শিক্ষার্থীরা শুধু তাত্ত্বিক বিদ্যা অর্জন করলেই হবে না, বরং বাস্তবধর্মী সমস্যা সমাধানে তাঁদের দক্ষ করে তুলতে হবে। রোববার রাজধানীর শাহবাগের হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘বিএইটিই জাতীয় সিম্পোজিয়াম ২০২৬’ শিরোনামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের (আইইবি) অধীন প্রকৌশল ও কারিগরি শিক্ষার স্বীকৃতি বোর্ড (বিএইটিই) এই সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করে, যেখানে দেশের প্রকৌশল শিক্ষাবিদ ও পেশাজীবীরা অংশ নেন। তাঁরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাক্রমের সঙ্গে শিল্প খাতের চাহিদার সামঞ্জস্য থাকতে হবে। আজ রোববার রাজধানীর শাহবাগে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে প্রকৌশলশিক্ষার মান নিশ্চিতে স্বীকৃতির ক্ষেত্রে নীতিসহায়তার ভূমিকা নিয়ে আয়োজিত এক সিম্পোজিয়ামে এ কথা উঠে আসে। ‘বিএইটিই জাতীয় সিম্পোজিয়াম ২০২৬’ শীর্ষক এ আয়োজন করে বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের। এতে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশলের অধ্যাপক, বিশেষজ্ঞ ও পেশাদার প্রকৌশলীরা অংশ নেন।

    মালয়েশিয়ান সোসাইটি ফর ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির সভাপতি মেগাত জোহারি মেগাত মোহাম্মদ নূর সিম্পোজিয়ামে মূল উপস্থাপনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, মানসম্মত প্রকৌশল শিক্ষার মূল ভিত্তি হলো শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত জ্ঞান, বিশ্লেষণী ক্ষমতা এবং জটিল সমস্যা মোকাবিলা করার দক্ষতা। পাঠ্যক্রমে উদ্ভাবন, নৈতিকতা এবং জীবনব্যাপী শিক্ষার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন তিনি। একই সঙ্গে, স্নাতকদের অর্জিত দক্ষতার সঙ্গে জাতীয় উন্নয়নের বাস্তব প্রয়োজনীয়তার মিল থাকা জরুরি বলে তিনি মত দেন।

    ওয়াশিংটন অ্যাকর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক লক কাই সাং বাংলাদেশের ২০২৩ সালে পাওয়া পূর্ণ সদস্যপদ অর্জনের বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, এই স্বীকৃতিকে কাজে লাগিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার মান ধারাবাহিকভাবে উন্নত করতে হবে। তিনি স্বীকৃতি প্রদানকারী ব্যবস্থার স্বচ্ছতা, প্রয়োজনীয় সম্পদের যথাযথ ব্যবহার এবং শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির প্রতি গুরুত্ব দেন। অধ্যাপক লকের মতে, স্বীকৃতির প্রক্রিয়ায় শুধু নথিপত্র তৈরির দিকে নজর না দিয়ে শিক্ষার্থীদের অর্জিত বাস্তব দক্ষতার প্রমাণভিত্তিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করা আবশ্যক। এ জন্য কার্যকর মূল্যায়নব্যবস্থা, যোগ্য শিক্ষক, শিল্প খাতের সঙ্গে যোগাযোগ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে। তিনি স্বীকৃতিব্যবস্থার কর্তৃত্ব ও দায়িত্ব স্পষ্ট করা, এর স্বাধীনতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষা, পর্যাপ্ত সম্পদ নিশ্চিত করা এবং শিক্ষকদের দক্ষতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।

    বিএইটিইর চেয়ারম্যান অধ্যাপক তানভীর মনজুর প্রকৌশল শিক্ষার তাত্ত্বিক জ্ঞান এবং পেশাগত বাস্তব কাজের মধ্যকার ব্যবধান চিহ্নিত করেন। তাঁর উপস্থাপনায় উঠে আসে যে, সফটওয়্যারের নির্ভুলতা যাচাই, নির্মাণকাজের মান নিয়ন্ত্রণ এবং বিধিমালা অনুসরণের মতো দক্ষতাগুলো কর্মক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, বিএইটিইর স্বীকৃতিকাঠামো অনুসরণ করলে জননিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এবং অবকাঠামোর মান বাড়ার পাশাপাশি বিদেশি প্রকৌশলীদের ওপর নির্ভরতা কমে আসবে।

    অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি উল্লেখ করেন, দেশে প্রতিবছর উচ্চমাধ্যমিক স্তর থেকে ১০ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হলেও এর মধ্যে মাত্র ২০ হাজার শিক্ষার্থী প্রকৌশল বিষয় নিয়ে পড়াশোনার সুযোগ পান। তিনি জানান, সরকার দেশের সব প্রকৌশল ডিগ্রি প্রোগ্রামকে স্বীকৃতির আওতায় নিয়ে আসতে আগ্রহী। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল (বিএসি) ও বিএইটিইর মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে এবং সরকার এর জন্য নীতিগত সহায়তা প্রদান করবে।

    বিএসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আখতার হোসেন খান বলেন, স্বীকৃতি অর্জন কেবল শুরু, এর মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার মান ক্রমাগত উন্নত রাখা। তিনি সরকারি নিয়োগ, পেশাগত নিবন্ধন এবং লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে এই স্বীকৃতিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। বিএইটিইর ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক শারমিন রেজা চৌধুরী বলেন, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত হলে পেশার মর্যাদা ও শিক্ষার্থীদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। এ জন্য পাঠদান ও মূল্যায়নের প্রতিটি পর্যায়ে পেশাজীবী প্রকৌশলীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

    আরও পড়ুন

    রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন
    রিয়াদগামী পাঁচটি ফ্লাইট স্থগিত করল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস
    দেশজুড়ে চাঁদাবাজির দাপট: জিম্মি সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ী
    যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁস: সন্দেহের তীর কর্মকর্তা–কর্মচারীদের দিকে
    ঢাবি শিক্ষিকার বহিষ্কার চাইলেন হেফাজত মহাসচিব সাজিদুর রহমান
    শাহজালালে সোনা চোরাচালানে আটক আরমানের পাঁচ দিনের রিমান্ড
    বিমান বহরে যুক্ত হচ্ছে ১০ এয়ারবাস, পরিকল্পনা ৩৫ উড়োজাহাজের
    শাহজালাল তৃতীয় টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে সংক্ষিপ্ত তালিকায় চার