
ধনাগোদা বার্তা ডেস্ক ঃ চিকিৎসা শাস্ত্রে এ বছর নোবেল পেয়েছেন দুই বিজ্ঞানী। তারা হলেন যুক্তরাষ্ট্রের ডেভিড জে জুলিয়াস এবং লেবাননের আর্ডেম প্যাটোপোশিয়ান।
তাপমাত্রা এবং স্পর্শের জন্য রিসেপ্টরের (অঙ্গ বা কোষ, যা আলো, তাপমাত্রার মতো বাহ্যিক উদ্দীপকে সাড়া দেয়) আবিষ্কার করেছেন। যা নতুন পেইনকিলার তৈরির পথ খুলে দিয়েছে।
মরিচের উপকরণ ব্যবহার করে মেডিসিনে নোবেল জুলিয়াসের, স্বীকৃতি পেলেন আর্দেমও — শুনতে আমাদের কাছে খুব সহজ মনে হতে পারে – কারণ আমরা প্রাকৃতিকভাবেই বিভিন্ন তাপমাত্রার অনুভূতির সাথে পরিচিত। প্রচন্ড ঝাল খেলে আমাদের গরম লাগে কেন? স্নায়ু কীভাবে সাড়া দেয় এই অনুভূতিতে? গরম জিনিস স্পর্শ করলে আমাদের কী ধরনের অনুভূতি হয়, কেমন শারীরবৃত্তীয় স্নায়বিক পরিবর্তন ঘটে সেই সময়? আমাদের স্নায়ুর এইসব অজানা রহস্য আবিষ্কার করেছেন এই দুজন বিজ্ঞানী।
চিকিৎসাবিদ্যায় বিশেষ অবদানের জন্য প্রতিবছরই চিকিৎসায় নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়। এ পর্যন্ত ১১৩ জন চিকিৎসা বিজ্ঞানী চিকিৎসাবিদ্যায় নোবেল পেয়েছেন।
এবছর মেডিসিনে নোবেল পুরস্কার দুই বিজ্ঞানীকে দেওয়া হল, গত বছর তিনজন বিজ্ঞানীর যৌথভাবে নোবেল পেয়েছিলেন। অর্থাৎ ২০২০ সালে মেডিসিনে নোবেল পুরস্কার যৌথভাবে তিন বিজ্ঞানী হার্ভে জে আল্টার, চার্লস এম রাইস এবং মাইকেল হাউটনকে দেওয়া হয়েছিল। যারা লিভারের ক্ষতি করে এমন হেপাটাইটিস সি ভাইরাস আবিষ্কার করেছিলেন। এই আবিষ্কার মারাত্মক রোগটির প্রতিকার খুঁজে পেতে সাহায্য করেছে। গতবারের নোবেল যারা পেয়েছিলেন তাদের মধ্যে হার্ভে এবং চার্লস ছিলেন মার্কিন নাগরিক। আর মাইকেল হাউটন ছিলেন ব্রিট্রিশ বিজ্ঞানী।
মেডিসিনে নোবেল দিয়ে শুরু হল এবছরের পুরস্কারের ঘোষণা।
চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পদকটি অন্য পদকের চেয়ে একটু আলাদা। প্রদত্ত মেডেলের সম্মুখ দিকে থাকে আলফ্রেদ নোবেলের খোদিত ছবি যা পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন বা সাহিত্যের জন্য প্রদত্ত মেডেলের মতই। তবে অন্য পাশটা আলাদা। সেই পাশে মেধাবী এক চিকিৎসকের প্রতিকৃতি দেখা যায়, যে নিজের কোলে রাখা একটি উন্মুক্ত বই ধরে আছে। আর একই সাথে পাথরের বুক চিড়ে প্রবহমান পানি দিয়ে একটি মেয়ে তৃষ্ণা মেটানোর চেষ্টা করছে।
