
মতলব প্রতিনিধি : মতলব পৌরসভার নবকলস এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে রক্তাক্ত জখম হয়েছেন ৪ জন। গত ২৫ আগস্ট সকালে গৃহপালিত হাঁসের পাল অন্যের উঠানে যাওয়াকে কেন্দ্র করে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
সরেজমিনে জানা যায়, ওই এলাকার খালেক মৃধ্যা বাড়ীর আইয়ুব আলী মৃধার বেশ কিছু হাঁস একই বাড়ীর মৃত সিধু মৃধার ছেলে আমির হোসেনের বাড়ির উঠানে আসে। ওই সময় আমির হোসেনের স্ত্রী নাছিমা বেগম হাঁসগুলি তারিয়ে দেওয়ায় উভয় পক্ষের মাঝে তর্ক হয়। তর্কের একপর্যায়ে আইয়ুব আলীর ছেলে রবিউল আলম বাবু চাইনিজ কুড়াল দিয়ে আমির হোসেন (৭০) ও তার স্ত্রী নাছিমা বেগম (৫৫) উপর হামলা করে। তাদের ডাক চিৎকারে পাশের ঘরে আলাল উদ্দিনের মেয়ে রত্না এগিয়ে এলে তাকেও চাইনিজ কুড়াল দিয়ে আঘাত করে। এ সময় বাবুর বড় ভাই রেহান উদ্দিন বাবুকে ধরতে এলে রেহান উদ্দিন আঘাত প্রাপ্ত হয় । পরে আশপাশের লোকজন এসে রক্তাত্ত জখম অবস্থায় আহতদের উদ্ধার করে মতলব দক্ষিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য চাঁদপুর সদর হাসপাতালে প্রেরন করেন । আহত আমির হোসেন ও তার স্ত্রী নাছিমা বেগমর অবস্থা অবনতি হলে তাদেরকে ঢাকায় প্রেরণ করেন ।
অন্যের উঠানে হাঁস তাড়ানো কে কেন্দ্র করে রক্তাক্ত মারামারির ঘটনায় এলাকাবাসী জানান, হাঁস তাড়ানো নিয়ে ঝগড়া ছিল লোকদেখানো। মূলত উভয় পরিবারের মাঝে বাড়ির জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। ঘটনার দিন তারই বহিঃপ্রকাশ ঘটে বলে মনে করেন তারা। এদিকে আইয়ুব আলী মৃধার ছেলে রবিউল ইসলাম বাবু মতলব পৌর সভার মেয়র এর নাম ভাঙ্গিয়ে এলাকায় বিভিন্ন অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে বলে জানান তারা।
হামলার বিষয়ে আমির হোসেনের মেয়ে ইয়াসমিন বলেন, তারা আমাদের জায়গা জোর পুর্বক দখল করে রেখেছে । এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিরা আমাদের জায়গা ছেড়ে বলেছে কিন্তুু তারা কারো কথা কর্নপাত করে না ।
এদিকে হামলাকারী রবিউল আলমের বাড়ী গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি এমনকি তার বোন মুক্তা বাবুর মোবাইল নাম্বার দিতে রাজী হননি ।
ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম মহন বলেন, উভয় পক্ষ বিষয়টি আমাকে জানিয়েছেন আমি বলেছি আগে রোগীর চিকিৎসা করাতে পরে সমস্যার সমাধান করবো ।
