
দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফের এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিক ডিপার্টমেন্টের (এপিডি) প্রতিনিধি দলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। বৈঠকে আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসনসহ উভয় পক্ষের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে উপস্থাপন করা বিভিন্ন অর্থনৈতিক প্রস্তাবনার ফাইনাল রিভিউ বা চূড়ান্ত পর্যালোচনা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে বলে অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন। তিনি জানান, আলোচনার প্রেক্ষিতে নীতিগতভাবে দেশের প্রস্তাবগুলোর বিষয়ে কোনো আপত্তি নেই এবং সবকিছু ইতিবাচকভাবেই এগোচ্ছে। তিনি বলেন, নীতিগতভাবে আমাদের প্রস্তাবগুলো নিয়ে সব ঠিক আছে।
আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের সামগ্রিক মূল্যায়নের প্রসঙ্গ টেনে অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বৈশ্বিক সংকটের মুখে বাংলাদেশের অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতি কতটা স্পর্শকাতর ও তাৎপর্যপূর্ণ, তা সংস্থাগুলো এখন স্পষ্টভাবে বুঝতে সক্ষম হয়েছে। তাদের এই অনুধাবন ও সহমর্মিতা আগামী দিনে দেশের অর্থনীতির সঠিক গতিপথ বজায় রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক সংকট সত্ত্বেও বাংলাদেশের অর্থনীতির ট্র্যাজেক্টরি বা সঠিক গতিপথ ধরে রাখতে আন্তর্জাতিক অর্থায়নকারী সংস্থাগুলো সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলসহ (আইএমএফ) বিভিন্ন বহুপাক্ষিক সংস্থা বাংলাদেশকে অর্থায়নের ব্যাপারে অত্যন্ত ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।
