
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে চট্টগ্রাম অঞ্চলে পাসের হার সামান্য নিম্নমুখী হয়েছে। এবার সামগ্রিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ, যা গত বছর ছিল ৫২ দশমিক ৫৭ শতাংশ। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা। এবার মোট ২ হাজার ৯২৯ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন, যেখানে গত বছর এই সংখ্যা ছিল ৬ হাজার ৯৭ জন। এক বছরের ব্যবধানে জিপিএ-৫ পাওয়ার হার প্রায় অর্ধেক কমেছে। এ বছর সামগ্রিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ।
ফলাফলে শতভাগ পাসের গৌরব অর্জন করেছে ছয়টি কলেজ। এর মধ্যে বাড়বকুন্ড হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১৩৪ জন অংশ নিয়ে সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। এছাড়া ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ থেকে ৪৪ জন, কাফকো স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১৭ জন, কোয়ান্টাম কসমো কলেজ থেকে ৬০ জন, রামু ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ছয়জন এবং লিডার্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ছয়জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে শতভাগ পাস নিশ্চিত করেছে।
অন্যদিকে, শূন্য পাসের তালিকায় রয়েছে তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে মেরন সান কলেজ থেকে দুইজন, সৃজনী ট্রাস্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে পাঁচজন এবং কক্সবাজারের বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে দুইজন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিলেও কেউই পাস করতে পারেননি।
জেলাভিত্তিক ফলাফলের দিকে তাকালে দেখা যায়, চট্টগ্রাম জেলায় পাসের হার ৫৭ দশমিক ৪২ শতাংশ। অন্যান্য জেলায় পাসের হার তুলনামূলক কম। কক্সবাজারে ৪৩ দশমিক ৩৪ শতাংশ, বান্দরবানে ৪১ দশমিক ৪২ শতাংশ, রাঙামাটিতে ৩৩ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং খাগড়াছড়িতে ২৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। সামগ্রিকভাবে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির এই বড় ধরনের পরিবর্তন শিক্ষার্থীদের কৃতিত্ব অর্জনের ক্ষেত্রে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
