
প্রতিবেদক,মোঃ হোসেন গাজী।।
সাবাস বাঙ্গালী এপৃথীবী অবাক হয়ে তাকিয়ে রয়। জ্বলেপুড়ে মরে ছারখার তবুও মাথা নোয়াবার নয়।
এপৃথীবী ও বিশ্ববাসী যতদিন থাকবে।বীর বাঙালি ও মুক্তিযোদ্ধের ইতিহাস ততদিনই স্বরণীয় হয়ে রবে।
উপরোক্ত স্লোগানও বীর বাঙালি মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বপূর্ন ইতিহাসের আলোকে, পাঠ্যপুস্তক সহ বিভিন্ন পুস্তকে বিভিন্ন ঐতিহাসিকগনের গবেষনায় বিশ্ববাসীকে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধের ইতিহাস আলোড়িত করে যেমন তুলছে। তেমনি মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে এখনো অনেক অজানা তথ্য আমাদের সমাজে লুকায়িত রয়েছে।
এমনই একটি তথ্য উপাত্ত পাঠকের মাঝে উপস্থাপন করার চেষ্টা করছি।
মুক্তিযোদ্ধের অজানা তথ্য নিয়ে আজকে যাকে নিয়ে কিছু লিখতে শুরু করেছি, নিম্নে তার পরিচয় তুলেধরছি। চাঁদপুর জেলার হাইমচর উপজেলার ২নং উত্তর আলগী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড নয়ানী লক্ষীপুর গ্রামের স্হানীয় বাসিন্দা, মরহুম কালু মিয়া তালুকদারের ছেলে, হতদরিদ্র কৃষক মোঃ শহিদ উল্লাহ তালুকদার সে পেশায় একজন কৃষক হলেও ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে তার অবদান অস্বীকার করার কোন সুযোগ নেই।
মুক্তিযুদ্ধে শহীদ উল্লা তালুকদারের অবদান নিয়ে বেশী কিছু না লিখলেও সামান্য কিছু তুলে ধরছি। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাকবাহিনীদের তৎপরতা নিয়ে গোপনে মুক্তিযুদ্ধাদের সংবাদ জানাতেন শহীদ উল্লা।
এমনকি ততকালীন সময়ে (৭১সালে) দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ও সেক্টরে পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বপূর্ণ লড়াই সংগ্রামের খবর জানাতে শহীদ উল্লা তার ব্যবহ্নিত তিন ব্যাঠারী চালীত রেডিও স্হানীয় হাইমচরে যুদ্ধরত মুক্তিযোদ্ধের শুনাতেন। মুক্তিযুদ্ধারা যখন এলাকায় আসতো তখন মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে যেয়ে পাকবাহিনী সম্পর্কে তথ্য সরবরাহ সহ শহীদ উল্লা তার রেডিও নিয়ে মুক্তিযোদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ খবর শুনাতেন। এলাকাবাসী সুত্রেঃ জানাযায় সহীদ উল্লাহর বাবা মরহুম কালু মিয়া তালুকদার তারা নিজেরা না খেয়ে ও স্হানীয় এলাকার জনসাধারণন, রণাঙ্গন থেকে বিভিন্ন বাড়িতে বিশ্রামে আসা মুক্তিযোদ্ধাদের রান্না করে খাবার পরিবেশন করেতেন। ১ম পর্ব।
