• প্রচ্ছদ
  • আন্তর্জাতিক
  • এনওয়াইপিডির বলপ্রয়োগ নীতি পর্যালোচনায় মেয়র মামদানির নতুন উদ্যোগ
  • এনওয়াইপিডির বলপ্রয়োগ নীতি পর্যালোচনায় মেয়র মামদানির নতুন উদ্যোগ

    নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ বিভাগের (এনওয়াইপিডি) বলপ্রয়োগের বর্তমান নীতি ও কর্মপদ্ধতির ব্যাপক পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছেন মেয়র জোহরান কওয়ামে মামদানি। মেয়রের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত এক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো পুলিশ বিভাগের এমন বিস্তারিত মূল্যায়ন শুরু হচ্ছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো বাহিনীর কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনা এবং জনসাধারণের কাছে দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা। আগামী কয়েক মাস ধরে চলা এই প্রক্রিয়ায় কমিউনিটির মতামত নেওয়া হবে।

    এই সংস্কারের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট হিসেবে কাজ করেছে ২০২৪ সালের মার্চ মাসে মানসিক স্বাস্থ্য সংকটে থাকা ১৯ বছর বয়সী উইন রোজারিওয়ের মৃত্যুর ঘটনা। ঘটনার পর অভিযুক্ত এক পুলিশ কর্মকর্তা বিভাগীয় শাস্তিমূলক শুনানির আগেই চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেন। মেয়র মামদানি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, নাগরিকের ওপর সরকারি বলপ্রয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। তাঁর ভাষ্যমতে, পুলিশের প্রশিক্ষণ, নীতিমালা এবং নির্দেশনায় এমন পরিবর্তন আনতে হবে যাতে যেকোনো জরুরি মুহূর্তে সহায়তা প্রত্যাশী ব্যক্তি ও তাদের পরিবার পুলিশের কাছে সঠিক আচরণ ও মর্যাদা পাওয়ার নিশ্চয়তা পায়। ২০২৪ সালের মার্চে মানসিক স্বাস্থ্য সংকটের সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হন ১৯ বছর বয়সী নিউইয়র্কবাসী উইন রোজারিও। এর মধ্যে রয়েছে কোনো কর্মকর্তা অবসরে যাওয়ার আগেই তাঁর বিরুদ্ধে চলমান বিভাগীয় শাস্তিমূলক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সহায়ক ব্যবস্থা। সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নতুন পদক্ষেপগুলো ঘোষণা করা হয়েছে। মেয়র মামদানি বলেন, কোনো নাগরিকের বিরুদ্ধে সরকার বলপ্রয়োগ করলে জবাবদিহির মান সর্বোচ্চ হওয়া প্রয়োজন।

    পুলিশি জবাবদিহি বাড়াতে প্রশাসন ২৬ লাখ ডলারের অতিরিক্ত তহবিল বরাদ্দ দিয়েছে, যা এনওয়াইপিডির ইন্সপেক্টর জেনারেলের দপ্তরের স্বাধীন নজরদারি শক্তিশালী করতে ব্যয় করা হবে। এছাড়া পুলিশের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ বিচারাধীন থাকা অবস্থায় তিনি যদি বাহিনী ছেড়ে যান, তবে সেই তথ্য নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের ডিভিশন অব ক্রিমিনাল জাস্টিস সার্ভিসেসকে জানাতে হবে। একই সঙ্গে ওই কর্মকর্তার পুলিশি সনদ বাতিলের বিষয়টি বিবেচনার প্রক্রিয়াকেও আনুষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হচ্ছে। এর উদ্দেশ্য হলো, গুরুতর অপরাধের তদন্ত এড়াতে অভিযুক্ত কোনো পুলিশ কর্মকর্তার অন্য কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থায় যোগ দেওয়ার পথ বন্ধ করা।

    প্রশাসনের নতুন এই কর্মপরিকল্পনায় ‘স্ট্যাট অ্যাক্ট’ (STAT Act) অনুযায়ী পুলিশি সংশ্লিষ্টতায় মৃত্যুর তথ্য যথাযথ সময়ে রাজ্য কর্তৃপক্ষকে প্রদান নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে, পুলিশের বলপ্রয়োগের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও জনগণের কাছে তথ্য পৌঁছানোর প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল ও সংহত করা হবে। এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে বিভাগীয় মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি এবং পুলিশের সামগ্রিক কার্যক্রমে স্বাধীন ও স্বচ্ছ নজরদারি বজায় রাখাই মেয়রের মূল লক্ষ্য।

    আরও পড়ুন

    ছারপোকার উপদ্রবে কোয়ান্টাসের ইতালি-অস্ট্রেলিয়া ফ্লাইট বাতিল
    হরমুজ প্রণালিতে মাইনের আঘাতে কনটেইনারবাহী জাহাজ ডুবি
    হুতিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি সামরিক প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান সৌদি যুবরাজের
    দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ
    যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ভর্তি সীমিত করছে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়
    মোদির মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করলেন প্রতিমন্ত্রী এল মুরুগান
    অক্সিজেন ত্রুটিতে চেন্নাইয়ে মালয়েশিয়া এয়ারলাইনসের ৭৮ যাত্রী আটকা
    বহর বাড়াতে দুটি এয়ারবাস লিজ নিচ্ছে মালদিভিয়ান এয়ারলাইন্স