• প্রচ্ছদ
  • রংপুর বিভাগ
  • প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবার জানাজায় সাবেক ছাত্রদল নেতা রবিউল
  • প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবার জানাজায় সাবেক ছাত্রদল নেতা রবিউল

    গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া এলাকায় বাবার জানাজায় অংশ নিতে আদালতের বিশেষ অনুমতি বা প্যারোলে মুক্তি পেয়েছেন কারাবন্দি সাবেক ছাত্রদল নেতা রবিউল ইসলাম। তিনি শিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারি হত্যা মামলার চার নম্বর আসামি। মঙ্গলবার বোনারপাড়ায় জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর পুলিশ পাহাড়ায় তাকে পুনরায় গাইবান্ধা জেলা কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

    কারাগার সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, রবিউল ইসলামের বাবা শাহ আলম মৃত্যুবরণ করার পর পরিবারের পক্ষ থেকে আদালতের কাছে তাকে জানাজায় অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়ার আবেদন জানানো হয়। ওই আবেদনের পর আদালত রবিউলকে তিন থেকে চার ঘণ্টার মানবিক প্যারোলে মুক্তির অনুমোদন দেন। অনুমতি সাপেক্ষে নির্ধারিত সময়ের জন্য কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে তিনি জানাজায় শরিক হন, যেখানে পরিবারের স্বজন, নিকটাত্মীয় ও স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।

    এলাকাবাসী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বোনারপাড়ায় চাঞ্চল্যকর শিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারি এবং জামায়াতকর্মী সালাউদ্দিনের জোড়া মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে বন্দি রয়েছেন রবিউল ইসলাম। বাবার আকস্মিক প্রয়াণে আদালতের মানবিক বিবেচনায় তাকে অল্প সময়ের জন্য স্বজনদের কাছে আসার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছিল।

    মামলার বিবরণ ও ঘটনাক্রম থেকে জানা যায়, চলতি বছরের ২১ জুন বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্র শিবিরের সভাপতি সাইফুল্লাহ এবং একই সংগঠনের কর্মী সালাউদ্দিন বোনারপাড়া চৌমাথা এলাকায় অবস্থান করছিলেন। সে সময় পরিকল্পিতভাবে বোনারপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মুকুল মিয়া, তার ভাই পলাশ, বোনারপাড়া ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য রবিউল ইসলাম এবং যুবদল নেতা আশরাফ, মোনারুল, জব্বারসহ ১০ থেকে ১৩ জনের একটি সশস্ত্র দল ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হঠাৎ চড়াও হয়।

    হামলাকারীরা শুরুতে সালাউদ্দিনের গলায় গুরুতর আঘাত হানে। সালাউদ্দিনকে বাঁচাতে সাইফুল্লাহ এগিয়ে এলে তাকে তাড়া করে বোনারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনের সড়কে ফেলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করা হয়। তাণ্ডব চালিয়ে অভিযুক্তরা দ্রুত মোটরসাইকেলযোগে ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে যায়। হামলার দিনই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সাইফুল্লাহ বারি। আর গুরুতর আহত সালাউদ্দিন দীর্ঘ ৪৮ দিন ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ৮ আগস্ট প্রাণ হারান।

    ঘটনার পর দিন অর্থাৎ ২২ জুন নিহত সাইফুল্লাহ বারীর বাবা হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে সাঘাটা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটিতে ছয়জনের নাম সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয় এবং অজ্ঞাতনামা হিসেবে আরও ১৪ থেকে ১৫ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। ওই তালিকাতেই ৪ নম্বর আসামি হিসেবে নাম রয়েছে সাবেক ছাত্রদল নেতা রবিউল ইসলামের।

    আরও পড়ুন

    প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগে সৈয়দপুরে বালু দিয়ে ঢাকা হলো ময়লার
    রংপুরে নির্মাণাধীন পৌর ভবনের ছাদ ধসে দুই শ্রমিক নিহত
    গাইবান্ধায় প্রেমঘটিত ঘটনায় কিশোর ও তরুণীর প্রাণহানি
    বিলুপ্তির পথে ফুলবাড়ীর ঐতিহ্যবাহী ঝিনুকের চুন তৈরির শিল্প
    শীতের ছবি
    পঞ্চগড়ে শীতের আমেজ, দিন দিন কমছে তাপমাত্রা
    স্ত্রী তালাক দিয়েছে, ক্ষোভে সিঁদ কেটে শ্বশুর বাড়িতে চুরি
    বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক
    প্রধানমন্ত্রীর দেশ পরিচালনা নিয়ে প্রকাশ হচ্ছে বই