
মোঃ হোসেন গাজী।।
হাইমচর উপজেলায় প্রতি নিয়ত বেড়েই চলেছে জ্বরের প্রাদুর্ভাব, বাড়ছে করোনা রোগের উপসর্গ। উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের গ্রামে গ্রামে প্রায় প্রতিটি ঘরেই জ্বর ও কাশিতে আক্রান্ত হয়ে ঘরোয়াভাবে চিকিৎিসা নিচ্ছে লোকজন। এ জ্বর ও কাশিতে শিশু থেকে বৃদ্ধা কেউই রেহাই পায়নি। জ্বরের রোগী আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় এলাকায় করোনাভীতি ছড়িয়ে পড়ছে।
হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ ২৮ জুলাই বুধবার ১ বছরের শিশুসহ ২০ জনের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। এ নিয়ে এ উপজেলায় করোনা পজিটিভ হয়েছেন ৪০২ জন। তবে নমুনা দিতে মানুষের অনীহা থাকায় উপজেলায় করোনা রোগীর প্রকৃত সংখ্যা নির্ণয় করতে পারছে না স্বাস্থ্য বিভাগ।
আলগীবাজার পল্লী চিকিৎসক টিটু বলেন, আমাদের এখানে দৈনিক ৪০ জন রোগী আসলে তার মধ্যে ৩০-৩৫ জনই জ্বর-কাশিতে আক্রান্ত। প্রতিদিন এই ধরনের রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এর মধ্যে কিছু রোগী আসে আশংকাজনক। আমরা তাদের হাইমচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়ার জন্য বলি। তবে কোনো রোগীকে যদি করোনার নমুনা দেয়ার জন্য বলি তারা করোনার পরীক্ষা করাতে অনিহা প্রকাশ করে।
