
শিমুল হোসেন, স্টাফ রিপোর্টারঃ
বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় কবি পারভীন আমিন,তিনি দার্শনিক, যিনি বাংলা কাব্যে অগ্রগামী ভূমিকার সঙ্গে সঙ্গে প্রগতিশীল প্রণোদনার জন্য সর্বাধিক পরিচিত। তিনি বাংলা ভাষার অন্যতম সাহিত্যিক, দেশপ্রেমী এবং বাংলাদেশের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ও বিভিন্ন সংস্থার থেকে পুরস্কার প্রাপ্ত সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে বারবার পুরস্কার প্রাপ্ত এবং বিভিন্ন পত্রিকা ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া সহ অনলাইন পত্রিকা অত্যন্ত জনপ্রিয় অর্জন করেছেন কবি পারভীন আমিন। তিনি দুই বাংলা তেই তাঁর কবিতা ও গল্প, বিভিন্ন কবিতা ও গল্পের বই আছে। তার সমানভাবে সমাদৃত। তাঁর কবিতা কবি নামে আখ্যায়িত করা হয়েছে। তিনি প্রগতিশীল চিন্তার অধিকারী।দুই বাংলাতেই তিনি সমানভাবে জনপ্রিয় । তাঁর লেখার মধ্যে একদিকে যেমন আছে বিদ্রোহী উন্মাদনা তেমনি অন্যদিকে আছে প্রেমের স্নিগ্ধতা,একদিকে তীব্র প্রতিবাদ অন্য দিকে মানবতার জয়গান, এখানেই তিনি নিজে কে স্পষ্ট করে দেন যে তিনি গভীর মানব প্রেমিক কিন্তু কোনোরকম অন্যায়, অবিচার,শোষণ, ভণ্ডামিকে মেনে নেবেন না জনপ্রিয় কবি পারভীন আমিন, তাহার জীবন বৃত্তান্ত সম্পর্কে জানতে চাইলে,তিনি প্রতিনিধি কে অনুসন্ধানে মাধ্যমে জানান,তার গল্প ও কবিতা উপন্যাসে কথা, আপনাদের কাছে আত্ম প্রকাশ করছি মাত্র। আপনাদের অনুপ্রেরণা আমার পথ চলার সূচনা, আমি চট্টগ্রাম জেলার মেয়ে আমার জন্ম ১৯৬১ সালে আমার নাম পারভীন আমিন আমি পর্বথক বিদ্যাপীঠ স্কুলে পড়ালেখা করছি, আমি জন্মে ছিলাম এক জমিদার বংশে ও আদর্শ মুসলিম পরিবারে, আমি ছিলাম আদরের দুলালী মেয়ে, আমার দাদি নানা-নানি খালু, খালা, ফুফু-ফুফা অসংখ্য আত্মীয় স্বজনের মাধ্যম বড় হয়েছি, আমি মনে করি আমার মতো ভাগ্যবতী মেয়ে, এই পৃথিবীতে আছে বলে আমার জানা নেই। আমার এক মেয়ে,দুই ছেলে, তাদের নিয়ে আমার জীবন, তারা আমার প্রাণের চেয়েও প্রিয়, আমি ছোট বেলায় খুব চঞ্চল ছিলাম, এবং দেখতে সুন্দরী ছিলাম, ১২ বছর বয়স থেকে আমার জন্য বিয়ের প্রস্তাব আসতে থাকে, তার পরে আমার দশম শ্রেণীতে পড়া অবস্থায় আমার ১৯৭৯ সালে বিয়ে হয়, স্বামীর অনুপ্রেরণায় কিছু পায়নি বলে, আর পড়ালেখা করতে পারিনি, আমার ভাই বোন পাঁচজন, তিন বোন, দুই ভাই, এবং মা বাবা দুই ভাইয়ের দুই স্ত্রী এই হলো আমাদের পরিবার, ছোট বেলা থেকে, আমি গল্পের বই পড়া খুবই ভালবাসতাম, রূপকথা, গল্প, ঠাকুমার ঝুড়ি, ইত্যাদি দশ্যূ বনহুর উপন্যাস পড়ার আমার সখ হয়ে দাঁড়ায়, আমার কবিতা আপনাদের যদি একটু আনন্দ দিয়ে থাকে, তবেই আমার লেখার সার্থকতা, আমার জন্য বেশি করে দোয়া করবেন, আমাকে মনে রাখবেন, ভালোবাসবেন এটি আমার চাওয়া পাওয়া,আল্লাহ আমাকে অনেক গুণের অধিকারী করে পাঠিয়েছেন, কিন্তু কিছুই করতে পারিনি,তাই এই কবিতা গুলি উপহার দিয়ে।আমি আপনাদের মনে একটু ঠাঁই করে নিতে চেয়েছি মাত্র, আমাকে মনে রাখবেন, আর বেশি করে আমার কবিতা পড়বেন, আপনাদের হৃদয়ে আমি বেঁচে থাকতে চাই জনম জনম।
