
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এখন থেকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) বার্ষিক ২২৪ কোটি টাকা গৃহকর হিসেবে প্রদান করবে। সোমবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দীর্ঘ আপিল শুনানির পর এই চূড়ান্ত রায় প্রদান করা হয়। এর ফলে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত কর জটিলতার একটি সুরাহা হলো। এবার বছরে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে ২শত ২৪ কোটি টাকা গৃহকর দেবে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। তাই অংশ হিসেবে ১শত ৯৮ কোটি টাকা সিটি কর্পোরেশনকে জমা দিয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষ আপিল করে।
সিটি করপোরেশনের রাজস্ব বিভাগ জানায়, এর আগে বন্দরের জন্য ১ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা এ্যাসেস ভ্যালু নির্ধারণ করে ২৬৪ কোটি টাকা গৃহকর দাবি করা হয়েছিল। বন্দর কর্তৃপক্ষ এতে আপত্তি জানিয়ে মেয়রের কাছে আপিল করলেও কোনো সুরাহা হয়নি। পরবর্তী সময়ে নিয়ম অনুযায়ী মোট দাবিকৃত করের ৭০ শতাংশ বা ১৯৮ কোটি টাকা জমা দিয়ে বিভাগীয় কমিশনারের আদালতে পুনরায় আপিল করে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
শুনানি শেষে আদালত ১৫ শতাংশ কর ছাড়ের সিদ্ধান্ত দেয় এবং বার্ষিক গৃহকর ২২৪ কোটি টাকা নির্ধারণ করে। এই সিদ্ধান্তের ফলে আগের বকেয়া মিলিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে চসিকের পাওনা দাঁড়িয়েছে ২৫৫ কোটি টাকা। উল্লেখ্য, পূর্বে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে চসিক বছরে ৪৫ কোটি টাকা গৃহকর পেত, যার মধ্যে সারচার্জ বাদ দিলে মূল অংক ছিল ৩৫ কোটি টাকা।
