
।
শিমুল হোসেন, স্টাফ রিপোর্টারঃ
২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বিএনপি-জামাত জোটের পৃষ্ঠপোষকতা বর্বর গ্রেনেড হামলা নিহত, শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি। মঙ্গলবার ( ৩১শে আগস্ট) বিকাল ৫টায় কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের অফিসে, কালিগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের আহবানে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী নুর আহমেদ রনি সভাপতিত্বে।আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জননেতা জনাব সাঈদ মেহেদী, তিনি বলেন, ২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট ঢাকার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ হয়েছিল। দলটির প্রধান এবং তখনকার বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনা ছিলেন, ওই সমাবেশের প্রধান অতিথি।
আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে রাস্তায় একটি ট্রাকে অস্থায়ী মঞ্চ তৈরি করা হয়েছিল। বিকাল ৩টা থেকে দলটির কিছু মধ্যম সারির নেতা বক্তব্য দেয়া শুরু করেন।বিকাল ৪টার দিকে শুরু হয় আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাদের বক্তব্য দেয়ার পালা,দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা। তখনও এসে পৌঁছাননি।দলের নেতাকর্মী এবং সমর্থকরা শেখ হাসিনার বক্তব্য শোনার অপেক্ষায় ছিলেন।শেখ হাসিনার বক্তব্য শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দফায়-দফায় বিস্ফোরণের শব্দে পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে। সমাবেশে উপস্থিত আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা প্রথমে বুঝতে পারেননি যে এটি ছিল গ্রেনেড হামলা। অনেকেই ভেবেছিলেন বোমা হামলা। উক্ত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শেখ নাজমুল আহসান, এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন কালিগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সিরাজুল ইসলাম। আরো উপস্থিত ছিলেন ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিয়নের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক, রাশিদুল ইসলাম জয় বাংলা, নয়ন হোসেন, শাহরিয়া ইসলাম, রেজওয়ান হোসেন রনি, মেহেদী হাসান, বাবু সরদার, রাকিব আহমেদ, শাহিন আলম বাবু, পলক, উজ্জ্বল দাস হৃদয়, ইবাদুল ইসলাম প্রমুখ। উক্ত অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কালীগঞ্জ উপজেলা এর যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হোসেন।
শোকাবহ ১৫ই আগস্ট ও ২১শে গ্রেনেড হামলার সকল শহিদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করেন। কালিগঞ্জ থানা মসজিদ এর ইমাম মাওলানা ফারুক হোসেন, উপস্থিত ছিলেন ১২টি ইউনিয়নের ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
